নিজস্ব প্রতিবেদক:
দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে গোদাগাড়ী উপজেলার ১ নং গোদাগাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ এর অন্তর্গত
০৯ নং ওয়ার্ড মাধবপুর গ্রামে মো: জালাল উদ্দিন দীং, পিতা-মুত রইসউদ্দিন
বিশ^াস, মো: আজম আলী, পিতা-মৃত রুহুল আমিন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা
আইন সহায়তা কেন্দ্র (আসক) ফাউন্ডেশন রাজশাহী জেলা জোনাল কমিটির শাখা অফিস
কার্যলায় কাঁকন হাট রেলস্টেশন রোড, কাঁকন হাট পৌরসভা, গোদাগাড়ী, রাজশাহী
অফিসে স্ব-শরীলে উপস্থিত হয়ে মো: আফসার আলী, পিতা-মৃত রুহুল আমিন এর
বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। তাদের অভিযোগের বিষয় বস্তু ছিল
জমি-জমা সংক্রান্ত ব্যাপারে তথা নিজ বাবার জমি তার বড় ভাই মো: আফসার আলি
তাকে বুঝিয়ে দেয়না ও মো: জালাল উদ্দিন দীং এর ক্রয়কৃত জমি তাদের বুঝিয়ে
দেয়না এই মর্মে ।
অভিযোগটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা আইন সহায়তা কেন্দ্র (আসক) ফাউন্ডেশন রাজশাহী জেলা জোনাল কমিটি শাখা অফিস কার্যলায় কাঁকন হাট রেলস্টেশন রোড অফিসে অভিযোগ রেজি: ভূক্ত হয় যাহার রেজি: নং ০২/২০ ও ০৩/২০ অভিযোগ রেজি: ভূক্ত হলে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা আইন সহায়তা কেন্দ্র (আসক) ফাউন্ডেশন রাজশাহী জেলা জোনাল কমিটি রাজশাহী এর সভাপতি / চেয়াম্যান সাহেব জনাব মো: মানসুরুর রহমান অভিযোগটির সত্যতা যাচাই এর জন্য ০৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত/পর্যবেক্ষক দল মনোনিত করেন ।
পর্যবেক্ষক বা তদন্ত দল সরেজমিন তদন্ত করে অভিযোগটির সত্যতা পাই যার ফলে গত ৩০-০৮-২০২০ ইং তারিখ পূনরায় তদন্ত ও মিমাংসা করার লক্ষ্যে কমিটির সভাপতি সাহেব জনাব মো: মানসুরুর রহমান রাজশাহী জেলা পুলিশ সুপার, সহকারী পুলিশ সুপার গোদাগাড়ী-তানোর ও গোদাগাড়ী মডেল থানাকে অভিযোগটির বিষয়ে অবগত করে সরেজমিন যায় ও বাদী বিবাদীর মাঝে মিমাংসা করার লক্ষ্যে এলাকার গন্য মান্য ব্যক্তিবর্গ গণের উপস্থিতে দুই পক্ষের আমিন জনাব মো: আবুল খায়ের ও মো: সাজ্জাদ সাহেব জমি মাপ জোগ করেন কিন্তু সময় সল্পতার কারণে তা কিছু বাকি থেকে যায়। পরে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা আইন সহায়তা কেন্দ্র (আসক) ফাউন্ডেশন রাজশাহী জেলা জোনাল কমিটির সভাপতি সাহেব অভিযোগটি মিমাংশার লক্ষ্যে ০৯-০৯-২০২০ ইং তারিখ ধার্য্য করেন ।
ধার্য্য তারিখে সংস্থার সভাপতি সাহেব, সেক্রেটারী সহ সংস্থার প্রায় ০৬ জন মাধবপুর গ্রামে উপস্থিত হয়ে এলাকার গণ্য মান্য ব্যক্তি বর্গের উপস্থিতে পুনরায় মাপ জোগ শুরু হয়। সেই মিমাংসায় উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা আইন সহায়তা কেন্দ্র (আসক) ফাউন্ডেশন রাজশাহী জেলা জোনাল কমিটির সম্মানিত উপদেষ্টা জনাব আলহাজ¦ মো: আবুল কালাম আজাদ, সভাপতি জনাব মো: মানসুরুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক জনাব মো: আমিনুল ইসলাম, সহ-সভাপতি মো: আলম বিশ^াস, অর্থ সম্পাদক মো: তরিকুল ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো: তরিকুল ইসলাম (তারেক), শিশু ও মহিলা বিষয়ক সম্পাদীকা অঞ্জলী দাস এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন জনাব মো: রুহুল আমিন (১নং গোদাগাড়ী ইউপির চেয়ারম্যান), সাবেক চেয়ারম্যান ১ নং গোদাগাড়ী ইউপি জনাব মো: মাকসাদুল ইসলাম গনি, ৯ নং ওয়ার্ড এর মেম্বার জনাব মো: আজাদ আলি, হাজী মো: একরামুল হক (মাস্টার), মো: সাইফুল ইসলাম সহ আরো এলাকার গন্য মান্য ব্যক্তি বর্গ গন।
সকল মাপ জোগ এর পর আমিন দের অনুমতি ক্রমে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা আইন সহায়তা কেন্দ্র (আসক) ফাউন্ডেশন রাজশাহী জেলা জোনাল কমিটির সভাপতি সাহেব মিমাংসা করার লক্ষ্যে বাদী ও বিবাদীর সম্মাতিতে একটি জুড়িবোর্ড গঠন করেন। জুড়ি বোর্ডে বাদি ও বিবাদির পক্ষ হতে একজন করে মোট তিন জন ও সংস্থার পক্ষ হতে এলাকার গন্য মান্য ব্যক্তি বর্গের মধ্য হতে ৫ জন নিয়ে একটি জুড়ি বোর্ড গঠন করা হয়। জুড়ি বোর্ড হতে একটি সুন্দর রায় বা ফলাফল আসে সেই রায় বা ফলাফল বাদি ও বিবাদী সকলে মেনে নেয়। এই ভাবে দীর্ঘ ১৮ বছর (প্রায়) এই জমি জমা সংক্রান্ত সমস্যা মানবাধিকার সংস্থার মাধ্যমে এই সমস্যা সমাধান হয়।পরিশেষে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা আইন সহায়তা কেন্দ্র (আসক) ফাউন্ডেশন রাজশাহী জেলা জোনাল কমিটির সভাপতি সাহেব বাদি ও বিবাদীকে শান্তি শৃংখলার সহিত সমাজে বসবাস করার অনুরোধ জানায় বাদি ও বিবাদী ভবিষতে তারা শান্তি শৃংখলার সহিত বসবাস করবে বলে আস্সাশ দেয়।




No comments:
Post a Comment